মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

জাতীয় পানি নীতি অনুসারে বাপাউবো’র লক্ষ্যসমূহ হচ্ছে

·       দারিদ্র বিমোচন

·       খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

·       অর্থনৈতিক সামর্থ অর্জন

·       জীবন মান উন্নয়ন

·       প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা

বাপাউবো’র কার্যাবলী

 

কাঠামোগত কার্যাবলী

(ক)

হাওর এলাকায় বাঁধ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে জনগণের একমাত্র বোরো ফসল আগাম বন্যার কবল থেকে রক্ষা করা ।

(খ)

নদী ও নদী অববাহিকা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন, সেচ ও খরা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে জলাধার,ব্যরেজ, বাঁধ, রেগুলেটর বা অন্য কোন কাঠামো নির্মাণ ।

(গ)

সেচ, মৎস্য চাষ, বনায়ন, নৌপরিবহন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও পরিবেশের সার্বিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষে পানি প্রবাহের উন্নয়ন কিংবা পানি প্রবাহের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য জলপথ, খালবিল ইত্যাদি পূন:খনন ।

(ঘ)

ভূমি সংরক্ষণ, ভূমি পরিবৃদ্বি ও পুনারুদ্বার এবং নদীর মোহনা নিয়ন্ত্রণ ।

(ঙ)

তীর সংরক্ষণ ও নদী ভাঙ্গন হতে সম্ভাব্য শহর, বাজার, হাট এবং ঐতিহাসিক ও জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ সংরক্ষণ ।

(চ)

উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও সংরক্ষণ ।

(ছ)

সেচ, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পানীয় জল আহরণের লক্ষে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ।

অ-কাঠামোগত কার্যাবলী

(জ)

বন্যা ও খরা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ।

(ঝ)

পানি বিজ্ঞান সম্পর্কিত অনুসন্ধান কার্য পরিচালনা এবং এত সম্পর্কিত তথ্য ও উপাত্ত গ্রহণ, সংরক্ষণ ও বিতরণ ।

(ঞ)

পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের লক্ষে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সহযোগীতায় এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে বোর্ডে সৃষ্ট অবকাঠামোভূক্ত বোর্ডে নিজস্ব জমিতে মৎস্য চাষ, কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং বাঁধের উপর রাস্তা নির্মাণ ।

(ট)

বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়িত প্রকল্পের সুফল সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের মধ্যে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সুবিধাভোগীদের সংগঠিতকরণ, প্রকল্পে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, প্রকল্প পরিচালন ও রক্ষাণাবেক্ষণ (পওর)  ।

(ঠ)

প্রকল্প ব্যয় পুনারুদ্বার সংক্রান্ত বিভিন্ন কলাকৌশল ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উদ্ভাবন, বাস্তবায়ন ও পরিচালন ।

প্রকল্প প্রণয়ন

স্থানীয় জনগণের মতামত, চাহিদা বা প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে আলোচনার ভিত্তিতে ‘বটম আপ’ পদ্ধতিতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়, অর্থাৎ উপর (টপ ডাউন) থেকে প্রকল্প চাপিয়ে দেওয়া হয় না। প্রথমিক অনুসন্ধান, যাচাই বাচাইয়ের পর বিস্তারিত সমীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পের জন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি প্রস্ত্তত করা হয়। এতে সাধারণ জনগন/সুবিধাভোগী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি অংশগ্রহণ থাকে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয়ের আর্থিক সীমা অনুসারে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন বা একনেক কর্তৃক ডিপিপি অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বা এডিপি প্রণয়ন করা হয়। অতপর প্রচলিত সরকারী বিধি বিধান, নীতি ও আইন অনুসারে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় ।


Share with :

Facebook Twitter